চাঁদাবাজির সাম্রাজ্যে কোম্পানীগঞ্জের ওসি | তদন্ত রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ০৯ Jul ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন

চাঁদাবাজির সাম্রাজ্যে কোম্পানীগঞ্জের ওসি

চাঁদাবাজির সাম্রাজ্যে কোম্পানীগঞ্জের ওসি

Manual7 Ad Code

কোম্পানীগঞ্জে ইউএনওকে ঘুষ সাধলেন চালক!

Manual7 Ad Code

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিবেদক: রক্ষকই যখন ভক্ষক, তখন চাঁদাবাজির চরম নির্লজ্জতার সাক্ষী হলো সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। সাধারণ পোশাকে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) পুলিশ ভেবে প্রকাশ্যেই ঘুষ সেধে বসেছে এক ট্রাকচালক! আর এই দুঃসাহসিক ঘটনার মধ্য দিয়েই উন্মোচিত হয়েছে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খানের নেতৃত্বাধীন পুলিশের এক বিশাল চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য।

Manual3 Ad Code

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা পরিষদ গেটের সামনের ভোলাগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের পুলিশ চেকপোস্টটি এখন পরিণত হয়েছে ওসির এক ‘অঘোষিত টোল প্লাজায়’। অবৈধ বালু ও পাথরবাহী ট্রাকগুলো থেকে প্রকাশ্যেই ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা করে চাঁদা তোলা হচ্ছে। প্রতিদিন শত শত গাড়ি থেকে আদায় করা এই বিপুল অঙ্কের টাকার হিসাব রাখা হয় খোদ চেকপোস্টেই।

পুলিশি নৈরাজ্য ও দুর্নীতির ফিরিস্তি এখানেই শেষ নয়! ওসির আশীর্বাদপুষ্ট এসআই নুর মিয়ার হাত ধরে সীমান্ত চোরাচালান, অবৈধ ট্রাক্টর, লিস্টার মেশিন ও নৌকা থেকে ১ হাজার থেকে শুরু করে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত মাসোহারা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। টাকার বিনিময়ে জব্দকৃত ভালো মোটরসাইকেল মাদক কারবারির হাতে তুলে দিয়ে ভাঙা গাড়ি আলামত হিসেবে দেখানো, প্রকৃত আসামি ধরতে না পেরে তার ৭০ বছরের বৃদ্ধা মাকে গ্রেফতার করা, এমনকি চার মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে চোরাচালানের ‘লাইনম্যান’ বানানোর মতো ভয়ংকর সব অপরাধের অভিযোগ উঠেছে খোদ ওসি শফিকুলের বিরুদ্ধে। কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দের মামলাতেও মোটা অঙ্কের বিনিময়ে প্রকৃত চোরাকারবারিদের ছাড়িয়ে দেওয়ার মতো চরম রফাদফা করেছে এই চক্রটি।

যদিও এসব গুরুতর ও চাঞ্চল্যকর অভিযোগকে বরাবরের মতোই ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এসআই নুর মিয়া। অন্যদিকে সিসি ক্যামেরার দোহাই দিয়ে নিজের কাঁধ থেকে দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছেন ওসি শফিকুল।

Manual7 Ad Code

তবে সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুফল পাননি স্থানীয়রা। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের নাকের ডগায় চলা এই লাগামহীন চাঁদাবাজি ও পুলিশি নৈরাজ্যের লাগাম আদৌ টানা হয় কি না।___চলমান সংবাদ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Add



© All rights reserved © tadantareport.com
Design BY Web WORK BD
ThemesBazar-Jowfhowo
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code
error: Content is protected !!